শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পদ্মা ব্যারেজ হলে ২৪ জেলার মানুষ এই প্রকল্পের সুফল পাবেন : এ্যানি চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে প্লাবিত দুই ইউনিয়ন, বন্ধ ২৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কুষ্টিয়ায় বাস-নছিমনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ২০ কুষ্টিয়ার কারাগার থেকে পালানো আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার বাবার জানাজায় যাওয়ার পথেই ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল ছেলের এক কোম্পানি থেকে ১৮ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মারফত আফ্রিদী’র পক্ষ থেকে খেলোয়াড়দের মাঝে জার্সি বিতরণ মিরপুরে সাড়ে ৭ হাজার ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মাদককারবারী আটক মিরপুরে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

গোপালগঞ্জ-১ আসনে ভোটের মাঠে লড়বেন কারাবন্দী দুই প্রার্থী

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ / ২১০ জন পড়েছেন
প্রকাশঃ শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ৩:৩৪ অপরাহ্ন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ (মুকসুদপুর-কাশিয়ানী একাংশ) আসনে বইছে ভিন্নধর্মী নির্বাচনি হাওয়া। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের তালিকায় রয়েছেন এমন দুজন, যারা বর্তমানে কারাগারে বন্দি। আইনি জটিলতা কাটিয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার পর এখন ‘কারাগার বনাম মাঠের’ লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন স্থানীয় ভোটাররা।

কারাবন্দি এ দুই প্রার্থী হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আশরাফুল আলম শিমুল এবং গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী কাবির মিয়া।

স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম শিমুল বর্তমানে ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তার নির্বাচনি প্রতীক ‘ফুটবল’। দাখিলকৃত হলফনামা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে জামিন না পেলে সমর্থক ও আত্মীয়-স্বজনরাই তার পক্ষে মাঠে থাকবেন। কারান্তরীণ প্রার্থীর প্রতি সাধারণ মানুষের সহানুভূতি ভোটের মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করছেন তার অনুসারীরা।

অন্যদিকে কাশিমপুর কারাগারে বন্দি থেকেই ‘ট্রাক’ প্রতীকে লড়ছেন গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী কাবির মিয়া। তার বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা সাতটি। শুরুতে যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হলেও দমে যাননি তিনি। উচ্চ আদালতে আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় তার কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন করে প্রাণসঞ্চার হয়েছে। ‘মুক্তি’ না মিললে কারাগার থেকেই তিনি এ নির্বাচনি যুদ্ধের নেতৃত্ব দেবেন বলে জানিয়েছেন তার পরিবার।

নির্বাচনি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি ফৌজদারি অপরাধে অন্তত দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত না হন, তবে তার নির্বাচনে অংশ নিতে কোনো বাধা নেই। এ আইনি সুযোগেই বিচারাধীন মামলায় বন্দি থাকা অবস্থায় তারা লড়ছেন।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান জানান, মনোনয়নপত্র সংক্রান্ত সব বিষয় আইন অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোপালগঞ্জ-১ আসনে হেভিওয়েট প্রার্থীদের পাশাপাশি এ দুই কারাবন্দি প্রার্থীর অংশগ্রহণ নির্বাচনে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে। ভোটারদের মধ্যে এটি আলোচনার প্রধান বিষয়ে পরিণত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় আরো খবর ....
Theme Created By ThemesDealer.Com