কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষায় তার শরীরে ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকালে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে স্কুলে যায় ওই ছাত্রী। দিন শেষে বাড়ি না ফেরায় সন্ধ্যার পর থেকে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে তারা বিদ্যালয়ে গিয়ে পিয়নের কাছে খোঁজ নেন।
তবে তিনি বিদ্যালয়ে কেউ নেই বলে দাবি করেন এবং কক্ষের চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান।
এতে সন্দেহ সৃষ্টি হলে স্থানীয়দের সহায়তায় জোরপূর্বক বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে একটি কক্ষ থেকে ওই ছাত্রীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে দ্রুত তাকে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
বর্তমানে ওই ছাত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তাকে গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, সে এখনো কথা বলার মতো অবস্থায় নেই।
কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. হোসেন ইমাম বলেন, “প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। তবে রোগীর অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল।”
এ বিষয়ে মিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম জানান, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।
এই জাতীয় আরো খবর ....