কুষ্টিয়া দৌলতপুরে ছোট ভাই ইমরানের হাঁসুয়ার কোপে বড় ভাই রাসেল (২৫) নিহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার হোগলবাড়ীয়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে বিকেল পাঁচটার দিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান রাসেল। নিহত রাসেল তাজপুর গ্রামের আহাদ আলীর বড় ছেলে।
দৌলতপুরে পরপর তিনদিনে তিনটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ঘটলো।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাজপুর গ্রামের আহাদ আলীর দুই ছেলে রাসেল ও ইমরানের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাবার উপস্থিতিতে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে ছোট ভাই ইমরান ক্ষিপ্ত হয়ে বড় ভাই রাসেলের পায়ে ধারালো হাঁসুয়া দিয়ে আঘাত করেন। এতে রাসেল গুরুতর জখম হন।
পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল পাঁচটার দিকে তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ছোট ভাই ইমরান পলাতক রয়েছেন।
তবে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিহত রাসেলের পরিবারের দাবি ভিন্ন। তাদের দাবি, রাসেলকে কেউ আঘাত করেনি, তিনি বাঁশবাগানে বাঁশ কাটতে গিয়ে অসাবধানতাবশত নিজেই আঘাত পেয়ে মারা গেছেন।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ছোট ভাইয়ের আঘাতে বড় ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ইমরান পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।