কুষ্টিয়ার কুমারখালীর সাংবাদিকের ওপর হামলা মামলার ঘটনায় স্থানীয় এমপির ভাই ও এপিএসকে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন দেওয়া হয়েছে। এর প্রতিবাদে আদালত ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল আমলি আদালত ঘেরাও করেন তারা।
জানা গেছে, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অংশ হিসেবে আদালতে প্রবেশ করতে গেলে পুলিশ প্রধান ফটোক আটকে দেয়। এ সময় সংবাদকর্মীরা জোর করে ফটক খুলে ভিতরে প্রবেশ করলে পুলিশের সঙ্গে হট্টগোল হয়।
পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে সংবাদ কর্মীরা চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে কর্মসূচি পালন করে না।
এসময় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন, এজাহারভুক্ত আসামিদের জামিন বাতিল ও বাকি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আল মামুন সাগর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান ডাবলু ও এ এম জুবায়েদ রিপন, সাবেক সহ-সভাপতি লুৎফর রহমান কুমার, সাংবাদিক নেতা হাসান আলী, কে এম আর শাহিনসহ অন্যরা।
শনিবার কুমারখালী পৌরসভার একটি সড়ক নির্মাণে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহের সময় বাংলা টিভির উপজেলা প্রতিনিধি মাহবুবুল আহসান উল্লাসের ওপর হামলা চালায় কুষ্টিয়া-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য আফজাল হোসেনের ছেলে শোভন হোসেন, ভাই আনোয়ার হোসেন ও কথিত পিএস মারুফ সহ তার লোকজন।
এ ঘটনায় ওইদিনই থানায় ১১জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা আইনে মামলা করেন উল্লাস। এ মামলায় অজ্ঞাত আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়।